vigit.me
🛍️ Complete No-Code E-commerce & Direct Checkout

ইনবক্সে দাম জিজ্ঞেস করতে করতে কাস্টমার চলে যাচ্ছে?
স্টোর খুলে সেলস বাড়ান ২ মিনিটেই!

ওয়েবসাইট বানানোর জটিলতা ও লাখ টাকার খরচ বাদ দিন! প্রোডাক্ট আপলোড করুন, সাইজ-কালার ভেরিয়েন্ট ও ডিসকাউন্ট সেট করুন, আর কাস্টমারকে দিন বিকাশ/নগদ বা ক্যাশ-অন-ডেলিভারিতে ইনস্ট্যান্ট চেকআউট। ইনবক্সে সময় নষ্ট না করে অর্ডার আসবে সরাসরি আপনার ড্যাশবোর্ডে।

👉 ডানপাশ থেকে আমাদের সত্যিকারের একটি শপ পেজ খুলে দেখুন — প্রোডাক্ট, ডেলিভারি চার্জ আর OTP-যাচাই করা অর্ডার ফর্ম, পুরোটাই চালু।

  • ০% ট্রানজেকশন কমিশন
  • বিকাশ/নগদে ডিরেক্ট পেমেন্ট
  • কাস্টম ডোমেইন কানেক্ট
সমস্যাটা

আপনার দিনটা এখন যেমন কাটে

এগুলোর কোনোটাই সফটওয়্যারের সমস্যা নয় — এগুলো রোজকার কাজের সমস্যা, যেগুলোর দাম আপনি সময়ে আর টাকায় দিচ্ছেন।

📦
ফেক COD অর্ডার — ফেরত পার্সেলের বিল

ফর্মে যেকোনো নাম-নম্বর বসিয়ে অর্ডার করা যায়। মজা করে দেওয়া একটা অর্ডারেও আপনার পার্সেল ঢাকা থেকে সিলেট ঘুরে আসে, বিলটা আপনারই।

💬
ইনবক্সে দাম জিজ্ঞাসা, উত্তরের অপেক্ষা

“দাম কত?”, “সাইজ আছে?”, “ডেলিভারি চার্জ কত?” — প্রতিটির উত্তর হাতে দিতে হয়। রাত ১১টার কাস্টমার সকালে আর ফিরে আসেন না।

⚠️
পুরো ব্যবসা একটা ফেসবুক পেজের ওপর

পেজ ডিজেবল হলে বা রিচ কমে গেলে কাস্টমারের সাথে যোগাযোগের রাস্তাই বন্ধ। কাস্টমারের তালিকাটা আসলে আপনার হাতে থাকে না।

🖥️
ওয়েবসাইট মানেই খরচ আর ঝামেলা

ডেভেলপার, ডোমেইন, হোস্টিং, প্রতি বছর রিনিউ, তার ওপর হ্যাক হওয়ার ভয়। বেশিরভাগ ছোট ব্যবসা এখানেই থেমে যায়।

সমাধান

যা যা বদলে যায়

প্রতিটিই আজ কেউ না কেউ হাতে করছেন — এবং করতে গিয়ে ভুল হচ্ছে বা সময় যাচ্ছে।

ভুয়া অর্ডার

নম্বর যাচাই না হলে অর্ডার হয় না

অর্ডার দেওয়ার আগে কাস্টমারের নম্বরে ৬ ডিজিটের কোড যায়। যে নম্বর তাঁর হাতে নেই, সেই নম্বরে অর্ডার হয় না — ফেক COD এখানেই বেশিরভাগটা আটকায়। প্রতি কোডে ৳০.৪৫, ফেরত পার্সেলের খরচের কাছে যা কিছুই নয়।

বিক্রির পেজ

ল্যান্ডিং পেজ আর প্রাইস টেবিল — দুই রকম বিক্রি

একটি প্রোডাক্টের জন্য পুরো ল্যান্ডিং পেজ — ছবি, বর্ণনা, দাম, অর্ডার ফর্ম। আর অনেক আইটেম থাকলে প্রাইস টেবিল, যেখান থেকে কাস্টমার কার্টে নিয়ে অর্ডার করে। দুটোই আপনি নিজে বানাতে পারবেন।

পেমেন্ট

COD, বিকাশ/নগদ, বাংলা QR আর কার্ড

ক্যাশ অন ডেলিভারি তো আছেই। সাথে নিজের পার্সোনাল বিকাশ/নগদ নম্বর (কাস্টমার Send Money করে TrxID দেন), ব্যাংকের দেওয়া বাংলা QR, আর চাইলে আসল পেমেন্ট গেটওয়ে — কার্ড ও সব ওয়ালেট একসাথে।

কুরিয়ার

অর্ডার থেকে সরাসরি কুরিয়ার বুকিং

Steadfast-এ আপনার নিজের অ্যাকাউন্ট যুক্ত করে দিলে অর্ডার থেকে এক ক্লিকে পার্সেল বুক হয়ে যায়, COD অ্যামাউন্টসহ। ঠিকানা হাতে টাইপ করার ভুল আর হয় না।

কাস্টমার লিস্ট

কাস্টমারের তালিকা আপনার নিজের

যিনি একবার অর্ডার করেছেন, তাঁর নাম-নম্বর-ইমেইল আপনার ড্যাশবোর্ডে থাকে। নতুন স্টক বা ঈদের অফার SMS বা ইমেইলে সরাসরি পাঠাতে পারেন — ফেসবুকের রিচের ওপর নির্ভর না করে।

অর্ডার ট্র্যাকিং

“আমার অর্ডারটা কই?” — ফোন কমে যায়

অর্ডার হলেই কাস্টমারের নম্বরে কনফার্মেশন ও ট্র্যাকিং লিংক পাঠানো যায়। সে নিজেই দেখে নিতে পারে অর্ডার কোন অবস্থায় আছে, আপনাকে ফোন না করেই।

শুরু করুন

অনলাইন শপ ও ই-কমার্সের অ্যাকাউন্ট খুলুন

প্রোফাইল চিরকাল ফ্রি, প্রোডাক্ট ১৪ দিন ফ্রি — কার্ড লাগবে না। সাইন আপ করলেই আপনার পেজ তৈরি হয়ে যাবে — সেটআপে দশ মিনিটের বেশি লাগে না, আর যেকোনো সময় বাতিল করা যায়।

  • আজই লাইভ — ডোমেইন বা হোস্টিং কিনতে হবে না
  • বাংলায় সাপোর্ট, বাংলাদেশ থেকে
  • টাকা সরাসরি আপনার বিকাশ/নগদ বা ব্যাংকে
সবার জন্যই

যেগুলো নিয়ে আপনাকে আর ভাবতে হবে না

হোস্টিং, ডোমেইন বা ডেভেলপার লাগে না

সাইন আপ করলেই vigit.me/আপনার-নাম ঠিকানায় পেজ চালু। সার্ভার, আপডেট, ব্যাকআপ — সব আমাদের দায়িত্ব। চাইলে পরে নিজের ডোমেইন যুক্ত করা যায়।

নিরাপত্তা ও HTTPS — আপনার ভাবনার বিষয় নয়

প্লাগইন আপডেট দিতে ভুলে যাওয়ায় সাইট হ্যাক হওয়ার গল্প এখানে নেই। প্রতিটি পেজ HTTPS-এ চলে, আর কাস্টমারের তথ্য কেবল আপনার অ্যাকাউন্ট থেকেই দেখা যায়।

যত ভিজিটরই আসুক, পেজ খোলা থাকে

বিশ্বজুড়ে ছড়ানো নেটওয়ার্ক থেকে সার্ভ হয় বলে বিজ্ঞাপনে হঠাৎ ভিড় বা ভাইরাল পোস্টেও সাইট বসে যায় না। ভিজিটরের কোনো সীমা নেই, ব্যান্ডউইথের বিলও নেই।

টাকা সরাসরি আপনার কাছে

বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়, ব্যাংকের বাংলা QR অথবা আসল পেমেন্ট গেটওয়ে — যেটাই ব্যবহার করুন, সেটেলমেন্ট আপনার নিজের নম্বরে বা ব্যাংকে। বিক্রির ওপর আমরা কমিশন নিই না।

প্রোফাইল চিরকাল ফ্রি · প্রতিটি প্রোডাক্টে ১৪ দিনের ফ্রি ট্রায়াল · কার্ড লাগবে না

সব প্রোডাক্ট ও দাম দেখুন
প্রশ্নোত্তর

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ফেসবুক পেজ বন্ধ করে দিতে হবে?

একদমই না — দুটো একসাথে চলে। ফেসবুকে কনটেন্ট আর বিজ্ঞাপন থাকুক, আর বিজ্ঞাপনের লিংক আসুক আপনার প্রোডাক্ট পেজে। পার্থক্যটা হলো, অর্ডার আর কাস্টমারের তালিকা তখন আপনার নিজের জায়গায় জমা হয়।

পণ্যের ভ্যারিয়েন্ট (সাইজ, কালার) দেওয়া যাবে?

যাবে। প্রতিটি প্রোডাক্টে সাইজ, কালার বা প্যাকেজ অপশন দেওয়া যায়, আলাদা দামসহ। কাস্টমার অর্ডার করার সময় বেছে নেন, আর সেটা অর্ডারের সাথেই আপনার কাছে চলে আসে।

ডেলিভারি চার্জ ঢাকার ভেতরে-বাইরে আলাদা রাখা যাবে?

যাবে। জোন অনুযায়ী আলাদা ডেলিভারি চার্জ বসানো যায় — ঢাকার ভেতরে এক রেট, বাইরে আরেক। কাস্টমার ঠিকানা দেওয়ার সাথে সাথেই মোট টাকাটা দেখতে পান, তাই ডেলিভারির সময় তর্ক হয় না।

সাইট হ্যাক হলে বা অনেক ভিজিটর এলে?

সার্ভার, আপডেট আর নিরাপত্তা আমাদের দায়িত্ব — ওয়ার্ডপ্রেসের মতো প্লাগইন আপডেট বা হ্যাক হওয়ার ঝুঁকি এখানে নেই। পুরো সাইট HTTPS-এ চলে এবং বিশ্বজুড়ে ছড়ানো নেটওয়ার্ক থেকে সার্ভ হয়, তাই বিজ্ঞাপনে হঠাৎ ভিড় হলেও পেজ খোলে — ভিজিটরের সীমা নেই।

টাকা কি আপনাদের হাত দিয়ে আসবে?

না। COD-এর টাকা কুরিয়ার আপনাকে দেয়, বিকাশ/নগদের টাকা সরাসরি আপনার নম্বরে যায়, আর গেটওয়ে ব্যবহার করলে সেটেলমেন্ট আপনার নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে হয়। আমরা কেবল মাসিক ফি নিই — বিক্রির ওপর কমিশন নয়।

খরচ কত?

প্রোফাইল চিরকাল ফ্রি। ই-কমার্স (৳৪৯৯/মাস)-এ অর্ডার, COD ও কুরিয়ার — মাসে ৫০ অর্ডারসহ, এরপর প্রতিটি ৳৫; প্রথম ১৪ দিন ফ্রি। নিজের ডোমেইন চাইলে Business প্ল্যান (৳৩৯৯/মাস)। OTP প্রতি ৳০.৪৫, SMS প্রতি ৳০.৫০ — শুধু যেগুলো আপনি চালু রাখবেন।

ভুয়া অর্ডার আটকান, আসল অর্ডার বাড়ান।

প্রোফাইল ফ্রি, প্রোডাক্ট ১৪ দিন ফ্রি — কার্ড লাগবে না, যেকোনো সময় বাতিল।

সফটওয়্যার

ই-কমার্স

বায়ো পেজ ফ্রি। এই সফটওয়্যারটি আলাদা — একটি প্রোফাইলে চলে, পার্সোনাল বা ব্যবসা যেকোনো অ্যাকাউন্টে।

  • মাসে ৫০টি অর্ডার অন্তর্ভুক্ত, এরপর প্রতিটি ৳৫ — অর্ডার বন্ধ হয় না
  • OTP-যাচাই করা COD অর্ডার — ভুয়া অর্ডার আটকায়
  • ল্যান্ডিং পেজ ও প্রাইস লিস্ট, ভেরিয়েন্ট ও ডিসকাউন্ট
  • বিকাশ/নগদ/কার্ড পেমেন্ট ও কুরিয়ার বুকিং
  • বিক্রির ওপর কোনো কমিশন নেই
প্রথম ১৪ দিন ফ্রি
৳499/মাস

বছরে ৳4,990 — ২ মাস ফ্রি

কার্ড লাগবে না। ট্রায়াল শেষে নিজে থেকে টাকা কাটে না। যেকোনো সময় বাতিল।

আপনার ব্যবসাটা কোন ধরনের?

প্রতিটি পেশার জন্য আলাদা করে লেখা আছে — কোন সমস্যা, কী সমাধান, আর সিস্টেমটা ঠিক কীভাবে কাজে লাগে।