বিজনেস কার্ড একবার দিন।
কাস্টমার নম্বরটা হারাবে না। সেভ করবে এক ট্যাপে।
কাগজের কার্ড দিলে সেটা ড্রয়ারে যায়। NFC কার্ড ফোনের পেছনে ঠেকালেই আপনার পুরো পরিচয় খোলে — নাম, নম্বর, কাজের নমুনা, লোকেশন, এমনকি অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার বাটন। এক চাপে নম্বরটা তাঁর ফোনে সেভ হয়ে যায়। কাগজের কার্ডে সব তথ্য দেওয়া যায় না — ডিজিটাল প্রোফাইলে আপনার ব্যবসার সবকিছু রাখতে পারবেন।
- ✓ ক্যাশ অন ডেলিভারি
- ✓ সারা বাংলাদেশে
কাগজের কার্ডে যা হয়
প্রতিটাই এমন কিছু যা প্রায় সবার সাথেই হয়েছে।
কার্ড বিলি হয়, কেউ রাখে না
একটা মিটিং শেষে পাঁচটা কার্ড পকেটে যায়, সন্ধ্যায় সবগুলো ড্রয়ারে। আপনার নম্বরটা ফোনে ওঠে না।
নম্বর বদলালে পুরো বাক্স নষ্ট
পদবি বদলাল, অফিস বদলাল — ৫০০ কার্ড ফেলে দিয়ে আবার ছাপাতে হয়।
কে নিল, কী হলো — জানার উপায় নেই
কার্ড দিলেন, তারপর নীরবতা। কেউ দেখল কি না, কখন দেখল — কিছুই জানা যায় না।
কাগজে সব তথ্য দেওয়াই যায় না
নাম, নম্বর, ঠিকানা — এতেই কার্ড ভরে যায়। সার্ভিসের তালিকা, দাম, কাজের নমুনা, ম্যাপ, হোয়াটসঅ্যাপ, অ্যাপয়েন্টমেন্টের বাটন, অর্ডার নেওয়ার ব্যবস্থা — একটাও ধরে না। ব্যবসাটা কার্ডের চেয়ে বড়।
আমাদের কার্ডে কী আলাদা
চিপটা সবার একই। পার্থক্যটা চিপের ওপাশে কী আছে তাতে।
তথ্য বদলান যত খুশি
কার্ড একবারই কেনেন। নম্বর, পদবি, এমনকি পুরো পেজ — অ্যাপ থেকে বদলে দিন। যাঁরা আগে কার্ড পেয়েছেন, তাঁরাও নতুন তথ্যই দেখবেন।
অ্যাপ লাগে না, কারও জন্যই না
ফোনের পেছনে ঠেকালেই পেজ খোলে। যাঁর ফোনে NFC নেই, তাঁর জন্য কার্ডেই QR কোড আছে।
কতজন দেখল, দেখতে পাবেন
কাগজের কার্ডে যেটা কখনো জানা যায় না — কতবার খোলা হলো, কোন লিংকে চাপ পড়ল।
Google রিভিউ একই ট্যাপে
চাইলে কার্ডটাকে রিভিউ কার্ড বানিয়ে দিন — কাস্টমার ঠেকালেই রিভিউ লেখার পাতা খোলে।
কাগজে যা লেখা যায় না, এখানে সবই থাকে
কার্ডটা শুধু দরজা। ওপাশের পেজে আপনার পুরো ব্যবসাটা রাখা যায় — সার্ভিস ও দাম, অ্যাপয়েন্টমেন্ট, অর্ডার, রিভিউ। যেটা লাগবে সেটাই চালু করুন, বাকিগুলো পরে।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন কার্ড থেকেই
ডাক্তার, পার্লার, কনসালট্যান্ট — কার্ড ঠেকিয়েই ক্লায়েন্ট খালি সময় দেখে বুক করে ফেলেন। ফ্রি বুকিং আর অগ্রিমসহ বুকিং — দুটোই আছে, সার্ভিস অনুযায়ী আলাদা নিয়ম রাখা যায়। বিকাশ/নগদে অগ্রিম নিলে ভুয়া বুকিং কমে, আর SMS রিমাইন্ডার নিজে থেকেই যায়।
বুকিং সিস্টেম দেখুন →পণ্য বিক্রি করুন একই পেজ থেকে
দোকান থাকলে পুরো প্রাইস লিস্ট কার্ডের ওপাশে রাখুন — কাস্টমার ছবি দেখে অর্ডার দেন, ক্যাশ অন ডেলিভারিতে। ফুডপান্ডার মতো ২০–৩০% কমিশন যায় না।
অনলাইন শপ দেখুন →Google রিভিউ বাড়ান
কাউন্টারে একটা কার্ড রাখুন — কাস্টমার ঠেকালেই রিভিউ লেখার পাতা খোলে। "রিভিউ দিয়েন" বলার চেয়ে এটা অনেক বেশি কাজ করে।
কীভাবে — পড়ুন →আপনার তথ্য কোথায় যায়, কে দেখে
নম্বরটা আপনি অচেনা মানুষের হাতে তুলে দিচ্ছেন — তাই এই প্রশ্নটা আগে পরিষ্কার হওয়া দরকার।
কার্ডটা কোনো এক লিংকে আটকা নয়
QR আর NFC দুটোই ডায়নামিক। আজ ব্যক্তিগত পেজে পাঠান, কাল ব্যবসার পেজ বানিয়ে সেখানে ঘুরিয়ে দিন — কার্ড একই থাকে, নতুন করে ছাপাতে হয় না। চাইলে যেকোনো সময় লিংকটা খুলে নিতে পারেন।
আপনার পেজে কোনো ট্র্যাকিং পিক্সেল নেই
Google Analytics বা Facebook পিক্সেল কেবল vigit.me-র নিজের মার্কেটিং পেজে চলে — আপনার পেজে একটিও না। কে আপনার কার্ড ট্যাপ করল, সেই তথ্য কোনো বিজ্ঞাপনদাতার কাছে যায় না।
কী দেখাবেন সেটা আপনার সিদ্ধান্ত
ব্যক্তিগত নম্বর দিতে না চাইলে দেবেন না — শুধু ব্যবসার নম্বর, শুধু হোয়াটসঅ্যাপ, বা শুধু একটা যোগাযোগের ফর্ম রাখতে পারেন। পেজে যা রাখবেন কেবল সেটুকুই কেউ দেখতে পাবে।
কার্ড হারালে বন্ধ করে দিন
হারানো কার্ডটি ড্যাশবোর্ড থেকে নিষ্ক্রিয় করে দিলে ওটা ট্যাপ করে আর কিছুই খোলে না। কাগজের কার্ড হারালে যেটা কখনো করা যায় না।
আপনার পেজটি পাবলিক করলে লিংক জানা যে কেউ দেখতে পারেন — সেটাই তো উদ্দেশ্য। তাই পেজে কী রাখবেন সেই সিদ্ধান্তটাই আসল নিয়ন্ত্রণ। প্রাইভেসি পলিসি
বাংলাদেশে NFC কার্ডের দাম
দুটোতেই একই চিপ, একই পেজ, একই ক্যাশব্যাক — পার্থক্য শুধু ছাপায়। সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি।
কার্ডটা নিয়ে নিন
ক্যাশ অন ডেলিভারি — হাতে পেয়ে টাকা দেবেন।
কোন ডিজাইনটা নেবেন?
দুটোতেই একই NFC চিপ আর একই ডিজিটাল পেজ — পার্থক্য শুধু কার্ডের ছাপায়।
যা সবাই জিজ্ঞেস করেন
বাংলাদেশে NFC কার্ডের দাম কত? (NFC card price in Bangladesh)+
ডিফল্ট ডিজাইনের NFC বিজনেস কার্ড ৳৫০০, আর নাম-পদবি-লোগো ছাপা কাস্টম কার্ড ৳৯৯৯। দুটোতেই একই NFC চিপ, একই QR আর একই ডিজিটাল পেজ। দামের ৫০% আবার আপনার ওয়ালেটে ক্যাশব্যাক হিসেবে ফেরত আসে, যা দিয়ে প্ল্যান বা পরের অর্ডারের বিল দেওয়া যায়। কোনো মাসিক ফি ছাড়াই কার্ডটি চলে।
NFC card BD — সারা বাংলাদেশে ডেলিভারি হয়?+
হ্যাঁ, বাংলাদেশের যেকোনো জেলায় কুরিয়ারে পাঠানো হয় — ঢাকার ভেতরে ও বাইরে দুই জায়গাতেই। পেমেন্ট ক্যাশ অন ডেলিভারি, অর্থাৎ কার্ড হাতে পেয়ে টাকা দেবেন। অর্ডার করতে এই পেজের ফর্মটাই যথেষ্ট, অ্যাকাউন্ট খোলা বাধ্যতামূলক নয়।
NFC কার্ড কি সব ফোনে কাজ করে?+
আজকাল প্রায় সব অ্যান্ড্রয়েড আর আইফোনে কাজ করে — আলাদা কিছু চালু করতে হয় না। পুরনো কোনো ফোনে NFC না থাকলেও সমস্যা নেই, কার্ডে QR কোড থাকে, স্ক্যান করলেই একই পেজ খোলে।
কার্ড নিলে কি অ্যাপ ইনস্টল করতে হয়?+
না। আপনারও লাগে না, যাঁকে কার্ড দেখাচ্ছেন তাঁরও লাগে না। ঠেকালে ব্রাউজারে পেজটা খোলে, এটুকুই।
ডিফল্ট আর কাস্টম কার্ডের পার্থক্য কী?+
দুটোতেই একই NFC চিপ আর একই ডিজিটাল পেজ। ডিফল্ট কার্ডে vigit.me-র ডিজাইন ছাপা থাকে, স্টকে থাকে, তাই দ্রুত পাঠানো যায়। কাস্টম কার্ডে আপনার নাম, পদবি ও লোগো ছাপা হয় — নিজের ডিজাইন দিতে পারেন, অথবা আমরা বানিয়ে দিই।
ক্যাশব্যাক জিনিসটা আসলে কী?+
কার্ডের দামের একটা নির্দিষ্ট অংশ আপনার vigit.me ওয়ালেটে ফেরত আসে। সেই টাকা দিয়ে প্ল্যান নিতে পারেন, বুকিং অ্যাড-অন নিতে পারেন, বা পরের কার্ড অর্ডারের বিল দিতে পারেন। কার্ডের সাথে সিস্টেমটাও চালু হয়ে যায়।
পেজটা কি আমার নিয়ন্ত্রণে থাকবে?+
হ্যাঁ। পেজটা আপনার নিজের অ্যাকাউন্টে থাকে, আপনি যখন খুশি বদলাতে পারেন। কার্ড হারিয়ে গেলে সেটি বন্ধ করে দেওয়ার ব্যবস্থাও আছে।
ডেলিভারি কীভাবে হয়, টাকা কখন দিতে হয়?+
সারা বাংলাদেশে কুরিয়ারে যায়। ক্যাশ অন ডেলিভারি — কার্ড হাতে পেয়ে টাকা দেবেন। কাস্টম কার্ডে ডিজাইন চূড়ান্ত হওয়ার পর ছাপা শুরু হয়।
একসাথে অনেকগুলো কার্ড লাগলে?+
টিমের প্রত্যেকের জন্য আলাদা নাম-পদবিসহ কার্ড বানানো যায়, প্রত্যেকের নিজের পেজ থাকে। অর্ডারের সময় সংখ্যাটা বসিয়ে দিন, আমরা যোগাযোগ করে বাকিটা নিয়ে নেব।
আপনার ব্যবসাটা কোন ধরনের?
প্রতিটি পেশার জন্য আলাদা করে লেখা আছে — কোন সমস্যা, কী সমাধান, আর সিস্টেমটা ঠিক কীভাবে কাজে লাগে।